বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর দাঁড়িওয়ালা খেলোয়াড় ‘হাশিম আমলা’

খেলা

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর দাঁড়িওয়ালা খেলোয়াড় ‘হাশিম আমলা’

লম্বা দাড়ির মনোযোগী এক ক্রিকেটার। যার দৃষ্টি বলের দিকে কিংবা ব্যাটসম্যানের দিকে। অলরাউন্ডার এই খেলোয়াড় যিনি দক্ষিন আফ্রিকার টিমকে উজ্জীবীত করার মতো সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি। হ্যা তিনি হাশিম আমলা। বিশ্ব ক্রিড়াক্ষেত্রে সবচেয়ে সুন্দর দাড়িওয়ালা খেলোয়াড়।

দক্ষিন আফ্রিকার ডারবানে ১৯৮৩ সালে জন্ম। ব্যাটসম্যান হিসাবে তার অর্জন সবচেয়ে বেশি হলেও তিনি কখনো কখনো বোলিং করেন।

দক্ষিন আফ্রিকার টিমের সেরা এই খেলোয়াড়ের জন্ম দক্ষিন আফ্রিকার একটি মুসলিম পরিবারে। হাশিম আমলার পূর্বপুরুষ ভারতের গুজরাট থেকে দক্ষিন আফ্রিকায় স্থায়ী হয়। পারিবারিক পরিবেশ থেকে তিনি ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলে জীবন যাপন করেন। ডারবানে তিনি তার ভাই আহমেদ আমলার সাথে হাই স্কুল লেখাপড়া শেষ করেন।

তার ভাই ছিলেন ক্রিকেটার। হাশিম আমলা সুমাইয়া নামে এক নারীকে বিয়ে করেন। তার স্ত্রী হিজাব পড়েন স্বামীর মতো তিনিও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলেন। টেস্টে অভিষেকের পূর্বেই হাশিম আমলা এলকোহলজাতীয় তরল পদার্থের লোগো বিপণনের মাধ্যম হিসেবে বিজ্ঞাপনচিত্র নিয়ে খেলার মাঠে ঢুকাবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে অদ্যাবধি বজায় রেখেছেন।

তার এই নীতি ধর্মীয় অনুশাসন ও মূল্যেবোধ মেনে চলার ব্যাপারে দৃঢ়তার বহি:প্রকাশ। হাশিম আমলা নিয়মিত নামায আদায় করেন।রমজান মাসে যে কয়েকজন মুসলিম খেলোয়াড় রোজা রেখে ক্রিকেট খেলেন আমলা তাদের একজন।

ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি প্রথমদিকে ব্যাটিং করেন এবং মাঝে মাঝে মিডিয়াম পেস বোলিং করে থাকেন। টেস্ট খেলায় ৩নং ব্যাটসম্যান ও একদিনের খেলায় শুরুতেই ব্যাটিং অর্ডারে নামেন আমলা।

ডারবান হাইস্কুল থেকে ডিগ্রী গ্রহণ করেছেন আমলা। যুবদের ক্রীড়াঙ্গনে আমলা আঞ্চলিক দল হিসেবে কোয়াজুলু নাটাল ডলফিনসে অভিষেক ঘটান। খুব দ্রুত দক্ষিণ আফ্রিকা দলের প্রধান হিসেবে মনোনীত হয়ে ২০০২ সালে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে দলকে নিয়ে যান।

তার বড় ভাই আহমেদ আমলাও একজন পেশাদার ক্রিকেটার এবং দু’বছর পূর্বে ক্রিকেট জগতে প্রবেশ করে ডলফিনের অধিনায়ক ছিলেন।

ডলফিনসের অধিনায়ক থাকাকালে হাশিম আমলা ২০০৪-০৫ মওসুমে দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রথম আটটি ইনিংসের চারটিতেই সেঞ্চুরি করেছিলেন