জামায়াত নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে যাচ্ছে দিনকে দিন !

মতামত

জামায়াত নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে যাচ্ছে দিনকে দিন !
.
ফাসিঁর রায় আসলো, তারা হাসি মুখে আলহামদুলিল্লাহ বললেন। তারা বুঝতে পারলেন, চক্রান্ত বাস্তবায়নের কাজ চলছে। আল্লাহ তাদের পরীক্ষায় ফেলছেন। মাথায় টুপি নেই বলে যে আলী আহসান মুজাহিদকে সমালোচনার তীর সইতে হয়েছিলো, সেই মুজাহিদ শাহাদাতের টুপি পড়ে বহু মানুষকে ত্যাগের, কোরবানীর শিক্ষা আর বালের বিরুদ্ধে পাহারের মতো দাড়িয়ে থাকার হিম্মত উপহার দিয়ে গেছেন।
.
এসব কেন হয়েছে জানেন ? আসলে তারা ঈমানের নুরে আলোকিত ছিলেন। কিন্তু আমাদের দৃষ্টি বাহ্যিক অবয়ব পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিলো। আমরা তাদের নিয়ে ভাবার সুযোগই পাইনি। কারণ আমরা শুরু থেকেই ধরে নিয়েছি তারা ইসলামের ভিতরে নেই। আমরা সূরেলা বক্তাকে আল্লামা বানিয়ে দেই, পাগড়ি টুপি পরিহিত যে কাউকে আল্লাহর অলীর দরজায় রেখে আসি। এসব কেন করি ? কারন একটাই, আমাদের চিন্তা শক্তির স্থবিরতার সাথে সাথে ইনসাফ করার মানসকিতায় রিক্ত হওয়া। ইসলামকে আমরা লেবাস সর্বস্ব ধর্ম বানিয়ে ফেলেছিলাম।
.
আজকে নিজের মা কে জেল থেকে মুক্ত করতে গোটা জাতির সাথে বেঈমানী করতে বি এন পির তারেক রহমানে কোন সমস্যা হয়নি। মানুষের আশা আকঙ্ক্ষার সাথে তামাশা করতেও তাদের দ্বীধা জাগেনি। অবৈধ সরকারকে বৈধতা দিতে তারা এখন সংসদে চলে গেলো। এই আতাত বা আপোষকামীতার মাধ্যমে বি এন পি নেত্রীর গন্ডদেশ থেকে আপোষহীন নেত্রীর লকব খুলে ফেলার সাথে সাথে বি এন পি যে ভারত বিরোধী শক্তির বৃহত্তর ছাউনীর ক্রেডিট নিতো, সেটা এখন শুন্যের কোঠায় চলে গেলো।
.
এই শুন্যতা পুরনে এখন জামায়াতকেই ভূমিকা নিতে হবে। আর এই সুযোগ যারা করে দিলো তারা আমাদের শহীদ নেতৃবৃন্দ। এখন দায়িত্ব্য আমাদের বেড়ে গেলো। এদেশের মজলুম, আশাহত লক্ষকোটি দেশপ্রেমিক জনতাকে রক্ষায় ইস্পাত কঠিন আন্দোলনের সংগ্রামের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জামায়াতকে তৈরি হতে হবে। হিংসা হয় তাদের জীবনের পরিণতি দেখে। শ্রদ্ধা বেড়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। আল্লাহ পাক তাদের শাহাদাত কবুল করুন। আমিন।

Apu Ahmed